#সমাসদ্বিগু সমাস কিভাবে চিনবেন জানেন? আচ্ছা,দ্বিগু শব্দের "দ্বি " মানে কী? দ্বিতীয় শব্দে"দ্বি " আছে না? আমরা ২ বুঝাতে "দ্বি " শব্দটিব্যবহার করি। ২ মানে কী? একটি সংখ্যা। তাহলেযে শব্দে সংখ্যা প্রকাশ পাবে এখন থেকেসেটাকেই "দ্বিগু " সমাস বলে ধরে নিবেন। যেমনপরীক্ষায় আসলো শতাব্দী কোন সমাস? আচ্ছাশতাব্দী মানে হল শত অব্দের সমাহার। অর্থাৎপ্রথমেই আছে "শত " মানে একশ, যা একটিসংখ্যা। সুতরাং এটি দ্বিগু সমাস। একইভাবেত্রিপদী ( তিন পদের সমাহার)এটি ও দ্বিগু সমাস।কারণ এখানে ও একটি সংখ্যা (৩) আছে। এবারযেকোন ব্যাকরণ বই নিয়ে দ্বিগু সমাসের যতউদাহরন আছে সব এই সুত্রের সাহায্যে মিলিয়েনিন।এবার আসুন কর্মধারয় সমাসে।খুব বেশি আসে পরীক্ষায় এখান থেকে। কর্মধারয় সমাসে "যে /যিনি/যারা " এই শব্দগুলো থাকবেই। যেমন:চালাকচতুর – এটি কোন সমাস? চালাকচতুর মানে'যে চালাক সে চতুর ' তাহলে এখানে 'যে ' কথাটিআছে,অতএব এটি কর্মধারয় সমাস। তবে কর্মধারয়সমাস ৪ প্রকার আছে। মুলত এই ৪ প্রকার থেকেইপ্রশ্ন বেশি হয়। প্রথমেই আসুম মধ্যপদলোপীকর্মধারয় সমাস চিনি। নামটা খেয়াল করুন,মধ্যপদলোপী। মানে মধ্যপদ অর্থাৎ মাঝখানেরপদটা লোপ পাবে মানে চলে যাবে। সহজ করেবললে হয়, যেখানে মাঝখানের পদটা চলে যায়সেটিই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। যেমনঃসিংহাসন - কোন সমাস? সিংহাসন মানে 'সিংহচিহ্নিত যে আসন '। তাহলে দেখুন এখানে 'সিংহচিহ্নিত যে আসন ' বাক্যটি থেকে মাঝখানের"চিহ্নিত " শব্দটি বাদ দিলে অর্থাৎ মধ্যপদ"চিহ্নিত " শব্দটি লোপ পেলে হয় "সিংহাসন "।যেহেতু মধ্যপদলোপ পেয়েছে, অতএব এটিমধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।উপমান কর্মধারয় সমাস কিভাবে চিনবেনজানেন? যদি ২টি শব্দ তুলনা করা যায় তবে সেটিহবে উপমান কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ তুষারশুভ্র –কোন সমাসের উদাহরন? এটি পরীক্ষায়অনেকবার এসেছে। শব্দটি খেয়াল করুন"তুষারশুভ্র "। তুষার মানে বরফ, আর শুভ্র মানেসাদা। বরফ তো দেখতে সাদা। তাহলে তো এটিতুলনা করা যায়। অতএব এটি উপমান কর্মধারয়।একইভাবে "কাজলকালো "এটিও উপমানকর্মধারয় সমাস। কারণ কাজল দেখতে তো কালোরঙেরই হয়। তার মানে তুলনা করা যাচ্ছে। অতএবএটি উপমান কর্মধারয়। এটি অন্যভাবে ও মনেরাখা যায়। উপমান মানে Noun + Adjective. যেমনতুষারশুভ্র শব্দটির তুষার মানে বরফ হল Noun, আরশুভ্র মানে সাদা হল Adjective। কাজলকালোশব্দটির কাজল হল Noun, এবং কালো হল Adjective।অতএব Noun + Adjective = উপমান কর্মধারয় সমাস।উপমিত কর্মধারয় মানে যেটা তুলনা করা যাবেনা।বিগত বছরের একটি প্রশ্ন ছিল :সিংহপুরুষ –কোন সমাসের উদাহরণ? খেয়াল করুন শব্দটি।সিংহপুরুষ মানে সিংহ আর পুরুষ। আচ্ছা সিংহ কিকখনো পুরুষ হতে পারে নাকি পুরুষ কখনো সিংহহতে পারে? একটা মানুষ আর অন্যটা জন্তু, কেউকারো মত হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করাযাচ্ছে না।তার মানে যেহেতু তুলনা করাযাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।চন্দ্রমুখ শব্দটি কোন সমাস? খেয়াল করুন মুখ কিকখনো চাঁদের মত হতে পারে, নাকি চাঁদ কখনোমুখের মত হতে পারে? কোনোটাই কোনটার মতহতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে না। তারমানে যেহেতু তুলনা করা যাচ্ছেনা, অতএব এটিউপমিত কর্মধারয় সমাস।এটিও অন্যভাবে মনে রাখা যায়। উপমিত মানেNoun+ Noun. যেমন - পুরুষসিংহ শব্দটির পুরুষ ওসিংহ দুটোই Noun। অর্থাৎ Noun+ Noun।একইভাবে চন্দ্রমুখ শব্দটির চন্দ্র ও মুখ দুটিই Noun। অর্থাৎ Noun+ Noun। অতএব । অর্থাৎ Noun+Noun= উপমিত কর্মধারয় সমাস সমাসের এই পর্বেরসাথে আমার "বাংলা ব্যাকরণ – ধ্বনি ও বর্ণঃসত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী " নাম ও শিরোনামেলেখাটি দেখে রাখবেন। ঐ পর্বটিচ্যালেঞ্জিং পর্ব ছিল।অর্থাৎ ঐ নোটেরবাইরে একটি প্রশ্ন ও হবেনা।বাকি থাকল রুপক কর্মধারয় সমাস। এটিও খুবসোজা। রুপ- কথাটি থাকলেই রুপক কর্মধারয়।যেমনঃ বিষাদসিন্ধু -এটি কোন সমাস?বিষাদসিন্ধু কে বিশ্লেষণ করলে হয় "বিষাদ রুপসিন্ধু "। যেহেতু এখানে রুপ কথাটি আছে, অতএবএটি রুপক কর্মধারয় সমাস। একইভাবে মনমাঝি -মনরুপ মাঝি, ক্রোধানল -ক্রোধ রুপ অনল, এগুলো ওরুপক কর্মধারয় সমাস, যেহেতু রুপ কথাটা আছে।……বাংলা ব্যাকরণ এর নিয়মানুসারে ব্যাকরণ বুঝতেগেলে বিসিএস বা অন্য কোন চাকরির জন্য আরপ্রস্তুতি নেয়াটা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। কারণবইতে যে ভাষায় ব্যাখ্যা করা আছে তা বুঝা আরএভারেস্ট জয় করা সমান কথা। তাই চেষ্টাকরলাম সহজ ভাষায় উপস্থাপন করতে।…………অাপনাদের ভালো লেগে থাকলে লাইক„ কমেন্ট„ করুন। আর পুনরায় খুজে পাওয়ার জন্য শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখুন।






0 comments:
Post a Comment
Thankz