Be A good person Improving Yourself Determine what being a good person means to you personally. ... Choose a role model. ... Stop comparing yourself with others. ... Love yourself. ... Be yourself. ... Pray and/or meditate. ... Make small changes. ... Review your goals every day.

Thanks For Visiting Us

Saturday, October 13, 2018

প্রশ্নঃ স্ত্রী সাথে সহবাস করে বাইরে বীর্য ফেলা যাবে কী? ইসলাম ধর্মে এটা কি জায়েয? না নাজায়েজ

প্রশ্নঃ স্ত্রী সাথে সহবাস করে বাইরে বীর্য ফেলা 
যাবে কী? ইসলাম ধর্মে এটা কি জায়েয? না নাজায়েজ?
উত্তরঃ
স্ত্রীর সাথে সহবাস করার পর স্ত্রীরির গোপনাঙ্গের বাইরে বীর্য ফেলা কে আযল বলে।তবে আযল করলে স্ত্রীর অনুমতি নিতে হবে।কারণ সহবাসের পর যদি স্বামী তার স্ত্রীর জরায়ুর ভিতরে বীর্য পাত করে তাহলে তার স্ত্রী বেশি যৌন তৃপ্তি পাই।
আপনার স্ত্রী সুখের যেন ব্যাঘাত না হয়, তাই আযল করতে করতে চাইলে স্ত্রীর
অনুমতিতে নিতে হবে।অন্যথায় গুনাহ হবে।
যার উদ্দেশ্য হলো স্ত্রীকে গর্ভধারণ থেকে বিরত রাখা।
শারীরিক অসুস্থতা অথবা দুই সন্তানের মাঝে
প্রয়োজনীয় ব্যবধান রাখার ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে
আযল করা শরী‘আতে বৈধ। জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য এটি
একটি কৌশল মাত্র। তবে বিশ্বাস রাখতে হবে যে,
আল্লাহ চাইলে এর পরেও গর্ভে সন্তান আসতে পারে।
জনৈক ব্যক্তি রাসূল সা.-এর নিকট এসে বলল, আমার
দাসীর সাথে আমি মিলিত হ’লেও তার গর্ভধারণ আমি
পসন্দ করি না। তিনি বললেন, তুমি চাইলে আযল করতে
পার, তবে আল্লাহ তা‘আলা যা তাক্বদীরে লিখেছেন
তা হবেই (মুসলিম হা/৩৬২৯; মিশকাত হা/৩১৮৫)।
সন্তানের ভরণ-পোষণের ভয়ে ‘আযল’ করা নিষিদ্ধ।
আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা দরিদ্রতার ভয়ে সন্তানদেরকে
হত্যা করো না। কেননা আমি যেমন তোমাদেরকে রূযী
দেই, তেমনি তাদেরকেও রূযী দেব’ (আন‘আম ৬/১৫১)।
অতএব আযল পদ্ধতি অথবা বর্তমান যুগে আবিষ্কৃত
জন্মনিয়ন্ত্রণের যত পদ্ধতি রয়েছে, সেগুলো শারীরিক
অসুস্থতা অথবা দুই সন্তানের মাঝে প্রয়োজনীয় ব্যবধান
রাখার উদ্দেশ্যে অস্থায়ীভাবে গ্রহণ করা জায়েয।
স্থায়ীভাবে গর্ভনিরোধ নিষিদ্ধ।
মনে রাখতে হবে যে, ইসলামে অধিক সন্তান লাভে
উৎসাহিত করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সা. বলেন, তোমরা
প্রেমময়ী ও অধিক সন্তানদায়িনী নারীকে বিবাহ কর।
কেননা আমি ক্বিয়ামতের দিন অন্যান্য উম্মতের চাইতে
তোমাদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে গর্ব করব’ (আবুদাঊদ, নাসাঈ,
মিশকাত হা/৩০৯১; আহমাদ)।
জন্মনিয়ন্ত্রণ বা জন্মনিরোধে উক্ত উদ্দেশ্য যেমন
ব্যাহত হয়, তেমনি নারীর স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। যে
নারীর যত সন্তান বেশী, সে নারী তত সুখী ও
স্বাস্থ্যবর্তী। সন্তান জন্ম দেওয়াই নারীর প্রকৃতি। আর
এই প্রকৃতির উপর হস্তক্ষেপ করলে তার মন্দ প্রতিক্রিয়া
হওয়াটাই স্বাভাবিক
Share:

0 comments:

Post a Comment

Thankz

Blog Archive