Be A good person Improving Yourself Determine what being a good person means to you personally. ... Choose a role model. ... Stop comparing yourself with others. ... Love yourself. ... Be yourself. ... Pray and/or meditate. ... Make small changes. ... Review your goals every day.

Thanks For Visiting Us

Friday, June 29, 2018

প্রশ্ন : আমার বয়স অনেক হয়ে যাচ্ছে, প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করছি। কিন্তু আমার বিয়ে হচ্ছে না,

প্রশ্ন : আমার বয়স অনেক হয়ে যাচ্ছে, প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করছি। কিন্তু আমার বিয়ে হচ্ছে না, কেউ দেখতে আসছে না। যারা আসছে তারা শুধু আমার "টিচার" পরিচয়টার জন্যই আসছে। কিন্তু আমার ইচ্ছা, বিয়ের পর শিক্ষকতা করবো না। দুই একটা ছেলেকে ভালো মনে হয়, আমি চাই তারা প্রস্তাব দিক, কিন্তু তারা রেসপন্স করে না। আমি কী আমল করতে পারি, যাতে আমার বিয়েটা হয়? বিশেষ করে আমার পছন্দমত বিয়েটা হোক। আমি কি স্পেসিফিক পাত্রের জন্য দুআ করতে পারব?

(ইনবক্স থেকে এক বোন)

উত্তর :-

১- বিয়ের জন্যে কিছু আমাল আছে।

- যেমন, এস্তেগফার করা। যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক এস্তেগফার করা। এস্তেগফার নিয়ে একটা নোটের লিংক দেয়া হলো। http://bit.ly/2kZNIGm

- তারপর সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা পড়তে পারেন। رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

অনেকে বলেন ফরজ নামাজের পর পড়তে। কারণ হাদিসের ভাষ্যমতে, ফরজ নামাজের পর দুয়া কবুল হয়। আর এটাও একটা দুয়া!! (তিরমিযি -৩৪৯৯ হাসান)

- বেশি বেশি দুয়া করা। বিশেষ করে দুয়া কবুলের মুহুর্তগুলো একটাও বাদ দেয়া উচিত না।

- আমলের পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্রের সন্ধান ও চেষ্টা করতে হবে।

২- বাংলাদেশের সমাজের যেসব ফেতনা রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম 'জাদু/সিহর' এর চর্চা। এমন অনেককেই দেখা যায়, যাদেরকে জাদু করে আটকে রাখা হয়। বয়স হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বিয়ের প্রস্তাব আসছে না। অথবা প্রস্তাব আসলেও অজ্ঞাত কারণে ফিরে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে, যারা সহীহভাবে রুকইয়া করেন তাদের শরণাপন্ন হওয়া ভালো। পাশাপাশি নিজেও বিভিন্ন রুকইয়ার আমল করতে পারেন। ভালো হয়, কিছু টাকা সদকা করে দিলে। হাদিসে সদকার অনেক ফাজায়েল বলা হয়েছে। তারমধ্যে একটি হচ্ছে, সদকা দ্বারা বিপদাপদ দূর হয়। (ইবনে হিব্বান- ৩৩০৯)

ইবনুল কাইয়িম রাহ. বলেন, "সদকার আশ্চর্য প্রতিফল রয়েছে। এমনকি সদকা যদি, ফাসেক, জালেম ও কাফের থেকেও হয়।"

৩- বিয়ের জন্যে ছেলেকেই আগ বাড়িয়ে প্রস্তাব পাঠাতে হবে, এমন কোন বিষয় নেই।

আমার জানামতে, ৩/৪ জন সাহাবীয়া আছেন, যারা নিজেরাই প্রস্তাব দিয়েছেন। সহীহ বুখারীতে একটা অধ্যায়ই আছে "মেয়ে কতৃক নিজেরাই ছেলেদেরকে বিয়ের প্রস্তাব প্রদান" নামে।

ইমাম নববী বলেছেন, কোন নেককার ও আখলাক ওয়ালা ছেলে পেলে তাকে প্রস্তাব দেয়া মুস্তাহাব।

যাহোক, মেয়ে নিজে প্রস্তাব দেয়ার চেয়ে ভালো হয়, গার্জিয়ান এর মাধ্যমে প্রস্তাব দেয়া। যদি সে সুযোগ না থাকে, তবে নিজেই প্রস্তাব পেশ করতে পারে। যদি পাত্র দ্বীনদার ও সালেহ হয়।

৪- বিয়েতে দেখার বিষয় হচ্ছে, দ্বীনদারী ও আখলাক।

এছাড়া স্বচ্ছলতা, পরিবার, সৌন্দর্য অনেকে বিবেচনা করে থাকেন। সেটার সুযোগও আছে। কিন্তু দ্বীনদারিকে প্রাধান্য দিতে হবে।

কারণ, আমাদের জীবনযাপন এর দৃষ্টিভঙ্গি হওয়া উচিত জান্নাতকে কেন্দ্র করে। অসচ্ছলতা, অসৌন্দর্য এটা কেবল দুনিয়াতেই থাকবে। জান্নাতে গেলে সবাই সুন্দর হয়ে যাবে। সুতরাং এগুলো সাময়িক। মূল দেখার বিষয় দ্বীনদারি। এটাই জান্নাতে কাজে লাগবে। অনেক অর্থের মালিক, দারুন হ্যানসাম দেখে বিয়ে করা হলো, অথচ ঐ ছেলের দ্বীনদারির হালত খুবই নাযুক। দুনিয়াতে স্বচ্ছলতা মিলবে বটে, অনেক শখ ও উইশও পূরণ হবে। কিন্তু আটকে যাবেন আখেরাতে গিয়ে। আল্লাহ বোঝার তাওফিক দিন!

৫- স্পেসিফিক পাত্রের সাথে বিয়ে যেন হয়, এভাবে কখনোই দুয়া করা উচিত না। কারণ, তার মধ্যে আপাতদৃশ্যে কল্যাণ রয়েছে মনে হলেও, ভবিষ্যৎ আল্লাহ জানেন। সুতরাং নিজের জন্যে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণ হয় এমন পাত্রের জন্যে দুয়া করা। তবে এভাবে দুয়া করা যেতে পেরে-- "ঐ মানুষটা যদি আমার দুনিয়া ও আখেরাতের জন্যে কল্যাণকর হয়, তাহলে আমাকে পাইয়ে দিও। আর যদি তার মধ্যে কল্যাণ না থাকে, তাহলে আমাকে এমন ব্যক্তি মিলায়ে দাও, যার মধ্যে তুমি আমার জন্যে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণ রেখেছ।"

৬- এস্তেখারা করা। বিয়েতে অবশ্যই এস্তেখারা করা উচিত।

উত্তর দিয়েছেন - শাইখ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ 

নাসীহা গ্রুপ থেকে সংগ্রহীত :-)
Share:

0 comments:

Post a Comment

Thankz