This is default featured slide 1 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured slide 2 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured slide 3 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured slide 4 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured slide 5 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
Saturday, October 28, 2017
Monday, October 9, 2017
বর্তমান বাংলাদেশ । খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
জেলা- ৬৫ টি।
গ্রাম- ৮৭৩৭২ টি।
শাখা ময়মনসিংহে।
আহমেদ।
দেখা হবে বিজয়ে
Sunday, October 8, 2017
পুরো বাংলার নোটটি । অবশ্যই পড়ে নিবেন ।
বিষয়:- বাংলা।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন হবে = আটটি MCQ.
#বিষয়_বাংলা_একটা_প্রশ্ন_থাকে।
বাংলা গদ্যের উৎপত্তি, সাহিত্যকর্ম ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ।
● কলকাতায় শ্রীরামপুর মিশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় = 1800 সালে।
● কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় = 4 মে 1800 সালে।
● ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কে প্রতিষ্ঠা করেন = লর্ড ওয়েলেসলি।
● কত সাল পর্যন্ত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ চালু ছিল = 1854 সাল।
● ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু করা হয়েছে = 24 মে 1801সালে।
● ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান হেড পন্ডিত কে ছিলেন = উইলিয়াম কেরি।
● ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা গ্রন্থ রচনার সময়কাল = 1801- 1815 পর্যন্ত।
● বাংলা মুদ্রাক্ষর আবিষ্কার করেন কে = পঞ্চানন কর্মকার।
● শ্রীরামপুর মিশনে মুদ্রনযন্ত্র স্থাপন করা হয় = 1800 সালে।
● ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের কার্যক্রম শুরু হয় কখন = 24 নভেম্বর 1800 খ্রিস্টাব্দ।
● উইলিয়াম কেরি কি কি গ্রন্থ রচনা করেছেন = কথোপকথন (1801) , ইতিহাসমালা (1812)
● হরপ্রসাদ রায়ের রচনা = পুরুষ পরীক্ষা (1815)
● উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য বিষয় কি = ব্যক্তিগত জীবনদর্শন ও জীবানুভূতি।
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক উপন্যাস = দুর্গেশনন্দিনী (1865)
● বাংলা সাহিত্যে কোনটিকে প্রথম উপন্যাস হিসেবে বিবেচনা করা হয় = প্যারীচাঁদ মিত্রের "আলালের ঘরে দুলাল"
● বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস = কপালকুন্ডলা।
● বাংলা সাহিত্যে একমাত্র কাব্যধর্মী উপন্যাস কোনটি = বিষাদ সিন্ধু।
● বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলমান লেখক কতৃক রচিত উপন্যাস = রত্নাবর্তী।
● আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপনিবেশিক কে = স্বর্ণকুমারী।
● শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর কোন উপন্যাস টি সরকার কতৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল = পথের দাবী।
● উপজাতিদের নিয়ে লেখা উপন্যাস = কর্ণফুলী।
ভালো করে প্রশ্ন সহ উওর গুলো আয়ত্ত করতে হবে নতুবা কনফিউজড থাকবে।
মো সাহেদুর রহমান সাহেদ
অর্নাস এন্ড মাস্টার্স।
অর্থনীতি।
#সাহিত্যের_প্রহসন_কাব্যগ্রন্থ_ও_মহাকাব্য
দুটি প্রশ্ন এখান থেকে হয়।
#_____________প্রহসন______________
#রামনারায়ণ_তর্করত্ন:- তিনটি প্রহসন।
● যেমন কর্ম তেমন ফল, 1865
● উভয়সংকট, 1869
● চক্ষুদান, 1869
#মাইকেল_মধুসূদন_দত্ত:- দুটি প্রহসন।
● একে কি বলে সভ্যতা, 1860
● বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, 1860
● সধবার একাদশী, 1866
● বিয়ে পাগলা বুড়ো, 1866
#_____________কাব্যগ্রন্থ______________
● মধুসূদন দত্ত কবিতায় যে মাত্রা যোগ করলেন তা কী = অমিত্রাক্ষর ছন্দ।
● "মুক্তক" ছন্দের প্রবর্তক বলা হয় কাকে = রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর।
● সনেট শব্দটির অর্থ কি = চতুর্দশপদী কবিতা।
● গীতি কবিতা হলো = কবির ব্যাক্তিগত অনুভূতি।
● রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর এর প্রথম স্বার্থক কবিতা = হিন্দুমেলার উপহার।
● কোন কাব্যগ্রন্থ রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামকে ছয় মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছিল = প্রলয়শিখা।
● কাজী নজরুল ইসলামের কোন কোন কাব্যগ্রন্থ গুলো বৃটিশ সরকার কতৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল = বিশের বাঁশি, ভাঙার গান, প্রলয়শিখা, যোগবানী ও চন্দ্রবিন্দু।
● কবি নজরুলের অগ্নিবীণা কত সালে প্রকাশিত হয় = 1922 সালে।
● সনেটের জন্ম কোথায় = ইতালীতে।
● বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচনা করেন = মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
●" অনল প্রবাহ " কাব্যের রচয়িতা কে = সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী।
● মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা কাব্য = তিলোত্তমাসম্ভব।
● রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কবিতার জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন = গীতাঞ্জলি, 1913
● রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ = বনফুল।
● ময়নামতির চর " কাব্যগ্রন্থ টি কে লিখেছেন = বন্দে আলী মিয়া।
● ফররুখ আহমেদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম কি = সাত সাগরের মাঝি।
● "মণিঞ্জুষা" কাব্যগ্রন্থ'টির রচয়িতা কে = সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
●" নকশী কাঁথার মাঠ" কাব্যটির রচয়িতা কে = জসিমউদ্দীন।
● " সাতটি তারার তিমির" কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে = জীবনানন্দ দাশ।
#___________মহাকাব্য_______________
#রচয়িতা ...................... #মহাকাব্য
• বাল্মীকি ..................... রামায়ণ।
• ব্যাসদেব ................ মহাভারত।
• মধুসূদন দত্ত ............. মেঘনাবদ কাব্য।
প্রকাশকাল- 1861
• হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় .... বৃত্র সংহার।
প্রকাশকাল 1875
• মুহাম্মদ হামিদ আলী ....... কাশেম বধ।
প্রকাশকাল 1904
• কায়কোবাদ ........... মহাশ্মশান, 1904
• ইসমাইল হোসেন সিরাজী .. স্পেন বিজয়
প্রকাশকাল 1914।
মো সাহেদুর রহমান সাহেদ
অর্নাস এন্ড মাস্টার্স।
অর্থনীতি।
রোমান্টিক প্রণয়োখ্যান,লোকসাহিত্য ও কবিগান।
এখান থেকে দুটি প্রশ্ন হয়।
#______রোমান্টিক_প্রণয়োখ্যান_______
● ইউসুফ-জোলেখা ------ শাহ মুহাম্মদ সগীর।
● লাইলী-মজনু ---- দৌলত উজির বাহরাম খান।
● মধুমালতী --------- মুহম্মদ কবীর।
● বিদ্যাসুন্দর হানিফা কয়রাপরী -- সাবিরিদ খান।
● সাইফুলমুলুক বদিউজ্জামান -- দোনাগাজী চৌধুরী।
● সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী --- দৌলত কাজী।
● পদ্মাবতী/হপ্তপয়কর ------- আলাওল।
● চন্দ্রাবতী -------- কোরেশী মাগন ঠাকুর।
● লালমোতি সরফুল মুলুক ------ আব্দুল হাকিম।
#_____লোকসাহিত্য_এবং_সংস্কৃতি_____
● লোকসাহিত্য কাকে বলে = সুপ্রাচীন কাল থেকে মানুষের মুখে মুখে যে সাহিত্য প্রচলিত হয়ে আসছে, ভবিষ্যতেও প্রচলিত থাকবে সেগুলোই লোকসাহিত্য।
● লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম নির্দশন = ছড়া।
● মৈমনসিংহ গীতিকা কত সালে প্রকাশিত হয় = 1923 সালে।
● মৈমনসিংহ গীতিকায় কোন ধরনের চরিত্র প্রাধান্য পেয়েছে = নারী চরিত্র।
● "দেওয়ান মদিনা " পালাটির রচয়িতা কে = মনসুর বয়াতি।
● " মহুয়া" পালাটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র = মহুয়া, নদের চাঁদ, সুজন, হুমরা ইত্যাদি।
● দেওয়াদেওয়ান মদিনা" এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র = দেওয়ান সেকেন্দার, আলাল - দুলাল, মদিনা ইত্যাদি।
● "খনা" কে = প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত জ্যোতিষী।
● Folklore Society এর কাজ কি = লোকসাহিত্য চর্চা ও সংরক্ষণ।
● বাংলাদেশ থেকে সংগৃহীত লোক সাহিত্য গুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় = তিন ভাগে।যথা, নাথ গীতিকা, মৈমনসিংহ গীতিকা, পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
#________কবিগান_ও_পুঁথি_সাহিত্য____
● কবি গানের কয়টি ভাগ = পাঁচটি।
● কবিওয়ালাদের মধ্যে সবচেয়ে পুরনো কে = গোঁজলা গুঁই।
●" পুথি" বা "পুঁথি" শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে = পুস্তিকা।
● শায়ের শব্দের অর্থ কি = কবি।
● শায়ের কি শব্দ = আরবি।
●" জৈয়গূনের পুঁথি" কার রচনা = সৈয়দ হামজা।
● বাংলা টপ্পা গানের জনক কে = নিধু বাবু।
মো সাহেদুর রহমান সাহেদ
অর্নাস এন্ড মাস্টার্স।
অর্থনীতি।
#সাহিত্যে_মঙ্গলকাব্য_ও_আধুনিক_যুগ।
#প্রশ্ন_একটা_আসেই।
● মঙ্গলকাব্য কাকে বলে = যে কাব্যে দেবতার আরাধনা, মাহাত্ম্য - কীর্তন করা হয়, যে কাব্য শ্রবণেও মঙ্গল হয় এবং বিপরীতে হয় অমঙ্গল; যে কাব্য মঙ্গলাধার, এমনকি ঘরে রাখলেও মঙ্গল হয় তাকেই মঙ্গল কাব্য বলে।
● মঙ্গল কাব্যের প্রধান শাখা = তিনটি।
● মনসামঙ্গলের আদি কবি কে = কানাহরি দত্ত।
● সাপের অধিষ্ঠ্যত্রী দেবী কে = মনসা।
● মনসামঙ্গল কাব্য আর কি নামে পরিচিত = পদ্মপূরাণ।
● চাঁদ সওদাগর কার ভক্ত ছিল = মহাজ্ঞানী দেবতা শিবের ভক্ত।
● লখাই বা লখিন্দর কে = সুনকা ও চাঁদ সওদাগরের পূত্র, বেহুলার স্বামী।
● মনসামঙ্গল কাহিনী মূলত কি = রামায়ণ - মহাভারত - রামায়ণ - পূরাণ নিরপেক্ষ একটি স্বতন্ত্র লৌকিক কাহিনী।
● মনসা দেবীকে আর কি নামে ডাকা হতো = কেতকা ও পদ্মাবতী।
● মধ্যযুগের সবচেয়ে প্রতিবাদী চরিত্র ছিল = চাঁদ সওদাগর।
● বাংলা সাহিত্যে সুস্পষ্ট সন বা তারিখ যুক্ত মনসামঙ্গল কাব্যের প্রথম রচয়িতা কে = বিজয় গুপ্ত।
● একটি মঙ্গল কাব্যে সাধারণত কয়টি অংশ থাকে = 5 টি
● মঙ্গলকাব্যের কবির সংখ্যা = 62 জন।
● বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা হয়েছে কবে = 1801 সালে।
● বাংলা গদ্য সাহিত্য কোন যুগে সমৃদ্ধি অর্জন করে = আধুনিক যুগে।
● আধুনিক যুগে বাংলা সাহিত্যের কোন কোন ক্ষেত্রে সমৃদ্ধি অর্জন করছিল = গদ্য, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, ছোটগল্প, গদ্য কবিতা ইত্যাদি।
● বাংলা গদ্য সাহিত্যের আদি নিদর্শন = ব্রাহ্মণ রোমান ক্যাথলিক সংবাদ।
● বাংলা গদ্য সাহিত্যের আদি নিদর্শন এর রচয়িতা = দোম আন্তোনিও।
● বাংলা সাহিত্যের যুগ সমূহ কি কি = •প্রাচীন •মধ্য •আধুনিক যুগ।
● বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের ব্যাপ্তিকাল কত = 950 - 1200 খ্রিস্টাব্দ।
● বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ব্যাপ্তিকাল কত = 1201 থেকে 1800 খ্রিস্টাব্দ।
● বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ = 1201 থেকে 1350 খ্রিস্টাব্দ।
● ড মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যে প্রাচীন যুগের সময়সীমা কত = 650 - 1200 খ্রিস্টাব্দ।
● বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগকে কয়টি শ্রেণীতে পর্যায়ে ভাগ করা যায় = দুটি।
•প্রথম পর্যায় 1801 - 1860 সাল পর্যন্ত।
• দ্বিতীয় 1861 থেকে বর্তমান পর্যন্ত।
● "কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ" কোন হরফে মুদ্রিত = রোমান হরফে।
Md Sahedur Rahman Sahed
অর্নাস এন্ড মাস্টার্স।
অর্থনীতি।
মধ্যযুগ, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, চণ্ডীদাস, শ্রীচৈতন্যদেব ও জীবনী সাহিত্য।
#দুটি_বা_তিনটি_প্রশ্ন_হয়
● মধ্যযুগের প্রথম নির্দশন = শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
● শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যখানি কার রচনা = বড়ু চণ্ডীদাস।
● অন্ধকার যুগকে ইউরোপের কোন যুগের সাথে তুলনা করা হয় = The dark age
● ধর্ম পূজার শাস্ত্রগ্রন্থ শূন্যপূরাণ কার রচিত = রামাই পন্ডিত।
● হলায়ুধ মিশ্র কার সভাকবি ছিলেন = রাজা লক্ষ্মণ সেনের।
● বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ কোন শাসনামলের = সেন শাসনামলের।
● মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি রচিত = ইউসুফ-জোলেখা।
● অনুবাদ সাহিত্যের প্রথম কবি = কৃত্তিবাস।
● অনুবাদ সাহিত্যের সূচনা হয় = পনেরো শতকের শেষার্ধে।
● মধ্যযুগের শেষ কবি = ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
● মধ্যযুগের পরিসরে সবচেয়ে বড় স্থান জুড়ে রয়েছে কোন কাব্য = মঙ্গলকাব্য।
● মধ্যযুগে কোন রাজসভায় বাংলা সাহিত্যের চর্চা হতো = আরাকান রাজসভায়।
● কবিওয়ালাদের আবির্ভাব ঘটে কখন = আঠারো শতকের শেষ দিকে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে।
● কোন সময়কাল কে বাংলা সাহিত্যের চৈতন্য যুগ বলা হয় = 1500 - 1700 খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
● " কানু ছাড়া গীত নাই" কোন যুগে সত্য ছিল = মধ্যযুগে (কানু বলতে কৃষ্ণকে বুঝানো হয়েছে)
● প্রকৃতপক্ষে মধ্যযুগের অবসান ঘটে = 1760 খ্রিস্টাব্দে।
● চণ্ডীদাস সমস্যা উদ্ভব হয় = শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পুঁথি আবিষ্কারের পর।
● শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যখানি কোন ভঙ্গিতে রচিত = নাট্যগীতের ভঙ্গিতে।
● শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মূখ্য চরিত্র কয়টি = 3 টি (রাধা, কৃষ্ণ, বডাই বা বড়ায়ি)।
● বড়ু চণ্ডীদাসের প্রকৃত নাম কি = অনন্ত।
● শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল চরিত্রগুলোর প্রতীকি অর্থ কি = রাধা > জীবাত্মা বা প্রানীকূল, কৃষ্ণ > পরমাত্মা বা ঈশ্বর এবং বড়ায়ি > রাধাকৃষ্ণর প্রেমের দূতী।
● শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য কে আবিষ্কার করেন = শ্রী বসন্তরঞ্জন রায়।
● বসন্তরঞ্জন রায়ের উপাধি কি ছিল = বিদ্বদ্বল্লভ।
● "বড়ু" ও "চণ্ডীদাস" কি = বড়ু তার কৌলিক উপাধি এবং চণ্ডীদাস গুরুপ্রদত্ত নাম।
● শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল নাম কি = শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ।
● শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য নামটি কে প্রদান করেন = শ্রী বসন্তরঞ্জন রায়।
● সম্পাদিত আকারে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যখানি কত সালে প্রকাশিত হয় = 1916 খ্রিস্টাব্দে।
● কার সম্পাদনায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যখানি প্রকাশিত হয়েছে = বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায়।
● কোথা হইতে সম্পাদিত আকারে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন প্রকাশিত হয়েছে = বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ।
● ড মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বড়ু চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন রচিত হয় = 1340 - 1440 সালের মধ্যে।
● শ্রী বসন্তরঞ্জন রায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কোথা হতে উদ্ধার করে = বাঁকুড়ার কাকিল্যা গ্রামের গোয়ালঘরের চালার নিচে থেকে।
● এক অক্ষর না লিখেও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন = শ্রীচৈতন্যদেব।
● শ্রীচৈতন্যদেব কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন = 1486 সালের 18 ফেব্রুয়ারি শনিবার। নবদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন।
● চৈতন্যদেবের বাল্য নাম কি = নিমাই।
● দেহ বর্ণের জন্য তার নাম কি রাখা হয় = গোরা বা গৌরাঙ্গ।
● চৈতন্য যুগ বলা হয় কোন সময়কে = 1501 - 1600 খ্রিস্টাব্দ।
●" চৈতন্য চরিতামৃত" কার লেখা = কৃষ্ণদাস কবিরাজ।
মো সাহেদুর রহমান সাহেদ।
অর্নাস এন্ড মাস্টার্স।
অর্থনীতি।
Monday, October 2, 2017
অনুবাদ চর্চা :- বাংলা থেকে ইংরেজি
অনুবাদ চর্চা :- বাংলা থেকে ইংরেজি।
▶ বাংলাদেশে বর্তমানে বেকার সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। ইতোমধ্যে এ সমস্যা ভীতিকর মাত্রায় পৌঁছেছে। সরকার এটা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। যা-হোক, এ সমস্যার সমাধান হবে যদি আমাদের বিপুল জনসংখ্যা মানব সম্পদে পরিণত হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বিশাল জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে খাদ্য শস্য উৎপাদনে আমাদের স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে।
▶ বর্তমানে Now ( at present) বাংলাদেশ সম্মুখীন হচ্ছে Bangladesh Is Facing বেকার সমস্যার Unemployment Problem.
#বিঃদ্রঃ Now, at present, day by day, increasingly, rapidly- প্রভৃতি থাকলে Present Continuous tense হয়। Subject "Bangladesh" 3rd Person singular number হওয়ায় are facing না হয়ে is facing হয়েছে।
ইতোমধ্যে এই সমস্যা This Problem Already পৌঁছেছে Has Reached ভীতিকর মাত্রায় An Alarming Dimension.
#বিঃদ্রঃ Already, ever, lately, recently, immediately, just, just now থাকলে Present perfect tense হয়। This Problem singular number হওয়ায় এর পর Plural verb "have reached" না হয়ে singular verb "has reached হয়েছে।
#tips:- "has" singular এবং "have" plural. এজন্য singular subject এর পরে has এবং plural subject এর পরে have ব্যবহার হয়। যদিও ব্যতিক্রম ভাবে you এর পরে have হয়।
সরকার চেষ্টা করছে The Government Is Trying কাটিয়ে উঠতে To Cope with (এটি idiom) এটি It.
#বিঃদ্রঃ:- চলমান কাজ বোঝাতে present continuous tense হয়। Subject "The government" 3rd Person singular number হওয়ায় এর পরেও Singular Verb ব্যবহার হয়েছে।
যা-হোক However এ সমস্যা This Problem সমাধান হবে Can be Solved যদি If আমাদের বিপুল জনসংখ্যা Our Vast Population পরিণত/ রূপান্তরিত হয় Turns into মানব সম্পদে Human resource.
#বিঃদ্রঃ Modal auxiliary verb ( can, could, may, might, shall, should, will, would, must, ought to এর পরে be থাকলে Verb এর past participle form ব্যবহৃত হয়।
if যুক্ত sentence এর একাংশে subject এর পরে (may, can, shall, will) + verb এর Base form হলে পরের অংশে present indefinite Tense হয়। Subject " our vast population" 3rd Person singular number হওয়ায় verb "turn" এর সাথে s যুক্ত হয়ে turns হয়েছে।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা The Bangladesh Population দ্রুত বাড়ছে Is Increasing Rapidly.
চাহিদা মেটাতে To Meet The Demand বিশাল জনসংখ্যার Of Vast Population আমাদের হতে হবে We Have To Become স্বয়ংসম্পূর্ণ Self - sufficient খাদ্য শস্য উৎপাদনে In Producing Food Crops.
Md Sahedur Rahman Sahed.
অনুবাদ চর্চা :- বাংলা থেকে ইংরেজি।
▶ সংবাদপত্র আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিকে তীক্ষ্ণ করে এবং বর্হিবিশ্ব সম্পর্কে জানতে উৎসুক করে। সংবাদপত্রকে উপেক্ষা করা হচ্ছে আমাদের চোখ বন্ধ রাখার সামিল। কি ঘটছে এটা শুধু তা-ই প্রতিফলিত করে না, কেন ঘটছে সে সম্পর্কেও বলে।
▶ সংবাদপত্র Newspapers তীক্ষ্ণ করে Sharpens আমাদের Our বুদ্ধিবৃত্তিকে Intellect এবং আমাদের উৎসুক করে Makes Us Curious জানতে To Know বর্হিবিশ্ব সম্পর্কে About World Outside.
#বিঃদ্রঃ
Sharpens এর সাথে "S" কেন হলো? কারণ কিছু কিছু Noun আছে যেমনঃ Newspapers, Mathematics, Physics, Electronics, dynamics, news ইত্যাদি দেখতে Plural হলেও তারা আসলে Singular এবং এদের পর Singular Verb ব্যবহার হয়।
Makes এর সাথে " S" কেন হলো? কারন "and" এর আগে পূর্বে ও পরে সাধারণত সমজাতীয় Tense ব্যবহৃত হয়। and এর পূর্বের verb টি Sharpens - Present indefinite Tense এ করায় পরের verbটিও একই Tense এ করা হয়েছে।
#Tips :- দুটি Sentence এর Subject এক হলে and এর পরে নতুন করে Subject লেখার প্রয়োজন হয় না।
▶ সংবাদপত্রকে উপেক্ষা করা হচ্ছে To Ignore Newspapers is আমাদের চোখ বন্ধ রাখার সামিল Like Keeping Our Eyes Shut.
#বিঃদ্রঃ:-
এখানে Verb "is" হলো কেন? কারনটা হলো Infinitive (to + Verb এর base form), Gerund (verb + ing) কোন Sentence এর Subject হলে Verb টি Singular হয়। প্রদত্ত Sentence এ Infinitive "To" Subject হওয়ায় এর পরে Singular Verb ব্যবহার হয়েছে।
▶ এটা শুধু তা-ই প্রতিফলিত করে না It Not Only Reflects কি ঘটছে/ঘটতেছে What is Happening সে সম্পর্কেও বলে But Also Tells about কেন ঘটছে Why It is Happening.
#বিঃদ্রঃ :-
Reflects এর সাথে "S" কেন হলো?
কারনটা হলো Subject "it" 3rd Person singular number হওয়ায় অর্থপূর্ণ verb Reflect এর সাথে "S" যুক্ত করে Reflects করা হয়েছে।
আবার Tells Verbটির সাথে কেন হলো? কারন Subject একই( it) বিধায় এটির সাথেও "S" যুক্ত হয়েছে।
ধন্যবাদ সবাইকে
মোঃসাহেদুর রহমান সাহেদ
Sunday, October 1, 2017
আল্লাহর এ বাণীগুলো কি আমাদের মনে নাড়া দিবে না?
সূরা কাহাফ, আয়াত ৪৯-এ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:
"আর আমলনামা সামনে রাখা হবে। তাতে যা আছে; তার কারণে আপনি অপরাধীদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত দেখবেন। তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এ কেমন আমলনামা। এ যে ছোট বড় কোন কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে। তারা তাদের কৃতকর্মকে সামনে উপস্থিত পাবে। আপনার পালনকর্তা কারও প্রতি জুলুম করবেন না। [আল কাহফঃ ৪৯]
পড় তোমার কিতাব (আমলনামা)। আজ তোমার হিসাব গ্রহণের জন্য তুমি নিজেই যথেষ্ট। [সূরা বনী-ইসরাঈলঃ ১৪]
জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। অতঃপর তোমরা আমারই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।
[আল আনকাবূতঃ ৫৭]
আমার এবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি।আমি তাদের কাছে জীবিকা চাই না এবং এটাও চাই না যে, তারা আমাকে আহার্য যোগাবে।আল্লাহ তা’আলাই তো জীবিকাদাতা শক্তির আধার, পরাক্রান্ত।
[আয-যারিয়াতঃ ৫৬-৫৮]
তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর এবং যাকাত দাও। তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয় আল্লাহ তা প্রত্যক্ষ করেন। [আল বাকারাঃ ২১০]
নভোমন্ডল, ভুমন্ডল এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী যা আছে তা তাৎপর্যহীন সৃষ্টি করিনি। কেয়ামত অবশ্যই আসবে। অতএব পরম ঔদাসীন্যের সাথে ওদের ক্রিয়াকর্ম উপক্ষো করুন। [আল হিজরঃ৮৫]
আমি আসমান-যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী কোন কিছু অযথা সৃষ্টি করিনি। এটা কাফেরদের ধারণা। অতএব, কাফেরদের জন্যে রয়েছে দূর্ভোগ অর্থাৎ জাহান্নাম। [সূরা সা’আদঃ ২৭]
আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। আমি এগুলো যথাযথ উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছি; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না। [আদ-দুখানঃ ৩৮-৩৯]
নিশ্চয়ই যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, সৎকাজ করেছে, নামায প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং যাকাত দান করেছে, তাদের জন্যে তাদের পুরষ্কার তাদের পালনকর্তার কছে রয়েছে। তাদের কোন শঙ্কা নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না। [আল বাকারাঃ ২৭৭]
তার চাইতে অধিক জালেম কে, যাকে তার পালনকর্তার কালাম দ্বারা বোঝানো হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তার পূর্ববর্তী কৃতকর্মসমূহ ভুলে যায়? আমি তাদের অন্তরের উপর পর্দা রেখে দিয়েছি, যেন তা না বোঝে এবং তাদের কানে রয়েছে বধিরতার বোঝা। যদি আপনি তাদেরকে সৎপথের প্রতি দাওয়াত দেন, তবে কখনই তারা সৎপথে আসবে না। [আল কাহফঃ ৫৭]
হে ঈমানদার গন! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ কর না। নিশ্চিত রূপে সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। [আল বাকারাঃ ২০৮]
অতঃপর তোমাদের মাঝে পরিস্কার নির্দেশ এসে গেছে বলে জানার পরেও যদি তোমরা পদস্খলিত হও, তাহলে নিশ্চিত জেনে রেখো, আল্লাহ, পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ। [আল বাকারাঃ ২০৯]
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে তাদের কৃতকর্মের আপ্যায়নস্বরূপ বসবাসের জান্নাত। [আস সাজদাঃ ১৯]
পক্ষান্তরে যারা অবাধ্য হয়, তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। যখনই তারা জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তথায় ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং তাদেরকে বলা হবে, তোমরা জাহান্নামের যে আযাবকে মিথ্যা বলতে, তার স্বাদ আস্বাদন কর। [আস সাজদাঃ ২০]
বলুনঃ সত্য তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত। অতএব, যার ইচ্ছা, বিশ্বাস স্থাপন করুক এবং যার ইচ্ছা অমান্য করুক। আমি জালেমদের জন্যে অগ্নি প্রস্তুত করে রেখেছি, যার বেষ্টনী তাদের কে পরিবেষ্টন করে থাকবে। যদি তারা পানীয় প্রার্থনা করে, তবে পুঁজের ন্যায় পানীয় দেয়া হবে যা তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে। কত নিকৃষ্ট পানীয় এবং খুবই মন্দ আশ্রয়। [আল কাহফঃ ২৯]
আর যারা সঞ্চয় করেছে অকল্যাণ অসৎ কর্মের বদলায় সে পরিমাণ অপমান তাদের চেহারাকে আবৃত করে ফেলবে। কেউ নেই তাদেরকে বাঁচাতে পারে আল্লাহর হাত থেকে। তাদের মুখমন্ডল যেন ঢেকে দেয়া হয়েছে আধাঁর রাতের টুকরো দিয়ে। এরা হল দোযখবাসী। এরা এতেই থাকবে অনন্তকাল।
[সূরা ইউনুসঃ ২৭]











