BADC নিয়োগ প্রস্তুতি
যারা আগামী ১১ তারিখ BADC পরীক্ষা দেবেন , তাদের জন্য এই পোস্ট
* এক নজরে বাংলাদেশ কৃষি পরিসংখ্যান
* মোট পরিবার : ২,৮৬,৯৫,৭৬৩
* মোট কৃষি পরিবার : ১,৫১,৮৩,১৮৩
* মোট আবাদযোগ্য জমি : ৮৫,৬০,৯৬৪.৭৫ হেক্টর
* মোট সেচকৃত জমি : ৭৪,০৬,৮২২.৮৭ হেক্টর
* আবাদযোগ্য পতিত : ২,১০,০২৭.৯২ হেক্টর
* ফসলের নিবিড়তা : ১৯২%
* এক ফসলি জমি : ২৩,৫৪,৮২১.৭৪ হেক্টর
* দুই ফসলি জমি : ৩৮,৪৭,২৭৪.৪৯ হেক্টর
* তিন ফসলি জমি : ১৭,১৫,৪৩০.৩৮ হেক্টর
* নিট ফসলি জমি : ৭৯,৩০,০৭১.৬৩ হেক্টর
* মোট ফসলি জমি : ১,৫২,৪৫৮৪১.৯৩ হেক্টর
* জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান : ১৪.৭৫%
* মোট খাদ্য শস্যের উৎপাদন :
* চাল-৩৪৭.১০১ লক্ষ মেট্রিক টন
* গম-১৩.৪৮ লক্ষ মেট্রিক টন
* ভুট্টা-২৭.৫৯ লক্ষ মেট্রিক টন
উৎস: এআইএস-২০১৭, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ-২ শাখা (ডিসেম্বর/২০১৬)
খাদ্য শস্য)
*বাংলাদেশে খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়-শতকরা ৮০ ভাগ জমিতে।
*উৎপাদিত খাদ্যশস্যের মধ্যে-ধান, গম, ডাল, তেলবীজ, ভুট্রা, যব এবং নানা রকম মসলা অন্যতম।
*বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়-বৃহত্তর বরিশাল জেলাকে।
*বাংলার প্রধান খাদ্যশস্য-ধান।
*বাংলাদেশে ধান চাষ করা হয়-শতকরা ৭০ ভাগ জমিতে।
*ধান চাষে উপযোগী - নদির উপত্যকার সমভূমি, ১০-৩০ডিগ্রি সে.সি তাপমাত্রা এবং ১০০-২০০ সে.মি. বৃষ্টিপাত।
*বাংলাদেশে উৎপন্ন ধানকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-আউশ,আমন ও বোরো।
*আমন ধান উঠে-অগ্রহায়ন থেকে পৌষ।
*উচ্চ ফলনশীল ধান-ইরি ও বিরি।
*ধানের উন্নত জাত হলো- ইরাটম,ব্রিশাইল,সোনার বাংলা১,সুপার রাইস,হাইব্রীড হীরা, ময়না,চান্দিনাম,হরিধান মালাইরি।
*IRRI থেকে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আমদানি করা ধানের বীজ- ইরি-৮ জাতের উফশি ধান।
*উত্তরবঙ্গের মঙ্গা এলাকার জন্য উপযোগী ধান - বি-৩৩।
*বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত লবণাক্ত সহিষ্ণু ধান - বিনা-৮।
*ধান চাষে বিখ্যাত - রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, রাজশাহী, বরিশাল ও অন্যান্ন।
*বরিশাল ও পটুয়াখালীর যে ধান উৎকৃষ্ট- বালাম ধান। দিনাজপুরের কাটারিভোগ, ময়মনসিংহের বিরই, এবং নোয়াখালী, কুমিল্লার কালিজিরা ও চিনিগুড়া উল্লেখযোগ্য।
*ধান ভিজালেই ভাত পাওয়া যায়- অঘ্নিবোরো ধানের চাল।
*বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চালকল আছে- নওগাঁ জেলায়।
*ধান ও গম উৎপাদনে বিখ্যাত-রংপুর।
*বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান খাদ্যশস্য - গম।
*গমের ইংরেজি নাম- Wheat.
*গম যে মৌসুমের ফসল - রবি।
*গম চাষে উপযোগী- সমতল ভূমি,২২ডিগ্রি সে. তাপমাত্রা এবং ৫০-৭৫ সে.মি. গড় বৃষ্টিপাত।
*গমের উন্নত জাত- অগ্রণী-সোনালিকা,বলাকা,দোয়েল,আনন্দ,আকবর,কাঞ্চন,বরকত।
*মানব দেহে আমিষের চাহিদা মেটায়- মসুর ডাল।
*ডাল জাতীয় শস্য-মুগ,মসুর, ছোলা, খেসারি, মাষ্কালাই,মটর অন্যতম।
*বাংলাদেশের প্রধান তেলবীজ - সরিষা।
*সরিষার ইংরেজি নাম:- Mustard-seed.
*সরিষা উৎপাদনে বিখ্যাত-ময়মনসিংহ।
*সরিষার উন্নত জাত- সফল, অগ্রণী।
*তিল ও তিসি উৎপাদনে বিখ্যাত- ফরিদপুর।
*বাদাম চাষে বিখ্যাত-কুমিল্লা ও কুষ্টিয়া।
*ভূট্রা চাষে বিখ্যাত- পার্বত্য চট্রগ্রাম, রংপুর।
*ভূট্রার উন্নত জাত- উত্তরণ(ব্রাক উদ্ভাবিত), বর্ণালী, শুভ্র।
*আনারস চাষ হয়- পার্বত্য চট্রগ্রাম ও সিলেট।
*আলু চাষে বিখ্যাত-বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চল(মুন্সিগঞ্জ)।
*আলুর উন্নত জাত-ডায়মন্ড,কার্ডিনেল,কুফরী, ও সিন্দুরী
*তুলার উন্নত জাত- রুপালী ও ডেলফোজ।
*মরিচের উন্নত জাত- যমুনা।
*টমেটোর উন্নত জাত- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।
*আমের উন্নত জাত- মহানন্দা, মোহনভোগ, লেংড়া, ও গোপালভোগ।
*কলার উন্নত জাত-অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী, মোহনবাশী, বীট জবা, অমৃতসগর, ও সিংগাপুরী।
---
যারা আগামী ১১ তারিখ BADC পরীক্ষা দেবেন , তাদের জন্য এই পোস্ট
* এক নজরে বাংলাদেশ কৃষি পরিসংখ্যান
* মোট পরিবার : ২,৮৬,৯৫,৭৬৩
* মোট কৃষি পরিবার : ১,৫১,৮৩,১৮৩
* মোট আবাদযোগ্য জমি : ৮৫,৬০,৯৬৪.৭৫ হেক্টর
* মোট সেচকৃত জমি : ৭৪,০৬,৮২২.৮৭ হেক্টর
* আবাদযোগ্য পতিত : ২,১০,০২৭.৯২ হেক্টর
* ফসলের নিবিড়তা : ১৯২%
* এক ফসলি জমি : ২৩,৫৪,৮২১.৭৪ হেক্টর
* দুই ফসলি জমি : ৩৮,৪৭,২৭৪.৪৯ হেক্টর
* তিন ফসলি জমি : ১৭,১৫,৪৩০.৩৮ হেক্টর
* নিট ফসলি জমি : ৭৯,৩০,০৭১.৬৩ হেক্টর
* মোট ফসলি জমি : ১,৫২,৪৫৮৪১.৯৩ হেক্টর
* জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান : ১৪.৭৫%
* মোট খাদ্য শস্যের উৎপাদন :
* চাল-৩৪৭.১০১ লক্ষ মেট্রিক টন
* গম-১৩.৪৮ লক্ষ মেট্রিক টন
* ভুট্টা-২৭.৫৯ লক্ষ মেট্রিক টন
উৎস: এআইএস-২০১৭, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ-২ শাখা (ডিসেম্বর/২০১৬)
খাদ্য শস্য)
*বাংলাদেশে খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়-শতকরা ৮০ ভাগ জমিতে।
*উৎপাদিত খাদ্যশস্যের মধ্যে-ধান, গম, ডাল, তেলবীজ, ভুট্রা, যব এবং নানা রকম মসলা অন্যতম।
*বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়-বৃহত্তর বরিশাল জেলাকে।
*বাংলার প্রধান খাদ্যশস্য-ধান।
*বাংলাদেশে ধান চাষ করা হয়-শতকরা ৭০ ভাগ জমিতে।
*ধান চাষে উপযোগী - নদির উপত্যকার সমভূমি, ১০-৩০ডিগ্রি সে.সি তাপমাত্রা এবং ১০০-২০০ সে.মি. বৃষ্টিপাত।
*বাংলাদেশে উৎপন্ন ধানকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-আউশ,আমন ও বোরো।
*আমন ধান উঠে-অগ্রহায়ন থেকে পৌষ।
*উচ্চ ফলনশীল ধান-ইরি ও বিরি।
*ধানের উন্নত জাত হলো- ইরাটম,ব্রিশাইল,সোনার বাংলা১,সুপার রাইস,হাইব্রীড হীরা, ময়না,চান্দিনাম,হরিধান মালাইরি।
*IRRI থেকে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আমদানি করা ধানের বীজ- ইরি-৮ জাতের উফশি ধান।
*উত্তরবঙ্গের মঙ্গা এলাকার জন্য উপযোগী ধান - বি-৩৩।
*বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত লবণাক্ত সহিষ্ণু ধান - বিনা-৮।
*ধান চাষে বিখ্যাত - রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, রাজশাহী, বরিশাল ও অন্যান্ন।
*বরিশাল ও পটুয়াখালীর যে ধান উৎকৃষ্ট- বালাম ধান। দিনাজপুরের কাটারিভোগ, ময়মনসিংহের বিরই, এবং নোয়াখালী, কুমিল্লার কালিজিরা ও চিনিগুড়া উল্লেখযোগ্য।
*ধান ভিজালেই ভাত পাওয়া যায়- অঘ্নিবোরো ধানের চাল।
*বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চালকল আছে- নওগাঁ জেলায়।
*ধান ও গম উৎপাদনে বিখ্যাত-রংপুর।
*বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান খাদ্যশস্য - গম।
*গমের ইংরেজি নাম- Wheat.
*গম যে মৌসুমের ফসল - রবি।
*গম চাষে উপযোগী- সমতল ভূমি,২২ডিগ্রি সে. তাপমাত্রা এবং ৫০-৭৫ সে.মি. গড় বৃষ্টিপাত।
*গমের উন্নত জাত- অগ্রণী-সোনালিকা,বলাকা,দোয়েল,আনন্দ,আকবর,কাঞ্চন,বরকত।
*মানব দেহে আমিষের চাহিদা মেটায়- মসুর ডাল।
*ডাল জাতীয় শস্য-মুগ,মসুর, ছোলা, খেসারি, মাষ্কালাই,মটর অন্যতম।
*বাংলাদেশের প্রধান তেলবীজ - সরিষা।
*সরিষার ইংরেজি নাম:- Mustard-seed.
*সরিষা উৎপাদনে বিখ্যাত-ময়মনসিংহ।
*সরিষার উন্নত জাত- সফল, অগ্রণী।
*তিল ও তিসি উৎপাদনে বিখ্যাত- ফরিদপুর।
*বাদাম চাষে বিখ্যাত-কুমিল্লা ও কুষ্টিয়া।
*ভূট্রা চাষে বিখ্যাত- পার্বত্য চট্রগ্রাম, রংপুর।
*ভূট্রার উন্নত জাত- উত্তরণ(ব্রাক উদ্ভাবিত), বর্ণালী, শুভ্র।
*আনারস চাষ হয়- পার্বত্য চট্রগ্রাম ও সিলেট।
*আলু চাষে বিখ্যাত-বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চল(মুন্সিগঞ্জ)।
*আলুর উন্নত জাত-ডায়মন্ড,কার্ডিনেল,কুফরী, ও সিন্দুরী
*তুলার উন্নত জাত- রুপালী ও ডেলফোজ।
*মরিচের উন্নত জাত- যমুনা।
*টমেটোর উন্নত জাত- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।
*আমের উন্নত জাত- মহানন্দা, মোহনভোগ, লেংড়া, ও গোপালভোগ।
*কলার উন্নত জাত-অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী, মোহনবাশী, বীট জবা, অমৃতসগর, ও সিংগাপুরী।
---






0 comments:
Post a Comment
Thankz