Be A good person Improving Yourself Determine what being a good person means to you personally. ... Choose a role model. ... Stop comparing yourself with others. ... Love yourself. ... Be yourself. ... Pray and/or meditate. ... Make small changes. ... Review your goals every day.

Thanks For Visiting Us

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Sunday, May 28, 2017

বিসিএসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভালো করবেন যেভাবে: সুশান্ত পালের একটি বিশেষ পরামর্শ

বিসিএসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভালো করবেন যেভাবে: 
সুশান্ত পালের একটি বিশেষ পরামর্শ
প্রিলি হল জাস্ট রিটেন দেয়ার পাসপোর্ট, স্রেফ পাস করার পরীক্ষা। এর কাছে ওর কাছে শুনে অন্ধের মতো না পড়ে একটু বুঝেশুনে প্রিপারেশন নিলে প্রিলিতে ফেল করা সত্যিই কঠিন। এক্ষেত্রে সবকিছু পড়ে বেশি খুশি হওয়ার অভ্যেস বাদ দিতে হবে।
কী কী পড়বেন, সেটা ঠিক করার চাইতে গুরুত্বপূর্ণ হল, কী কী বাদ দিয়ে পড়বেন সেটা ঠিক করা। যাকিছুই পড়ুন না কেন, আগে ঠিক করে নিন, সেটা পড়া আদৌ দরকার কিনা। চাকরিটা পেয়ে গেলে জ্ঞানী হওয়ার জন্য অন্তত ৩০ বছর সময় পাবেন; এতোটাই জ্ঞানী, জ্ঞান রাখারই জায়গা পাবেন না। জ্ঞান অর্জন করলে জ্ঞানী হবেন আর মার্কস অর্জন করলে ক্যাডার হবেন, এটা মাথায় রাখুন।
সিভিল সার্ভিস নিয়ে আপনার যে প্রচণ্ড ইচ্ছে আর আবেগ, সেটার সাথে একটু বুদ্ধিশুদ্ধি যোগ করলেই হয়ে যাবে, যেটাকে আমরা বলি, ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স।
পড়াশোনা দুইভাবে করা যায় : এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি করে আর বাসায় বসে। তবে আমি মনে করি, পড়াশোনার ব্যাপারটা সম্পূর্ণ নিজের কাছে। বইপত্র, গাইডটাইড কিনে বাসায় বেশি বেশি সময় দিন। আপনি পাবলিক লাইব্রেরির সামনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বসে থাকলেন, খুশি হয়ে গেলেন অনেককিছু পড়ে ফেললেন ভেবে, কিন্তু যা যা দরকার তা তা পড়লেন না, এর চাইতে বাসায় ৬ ঘণ্টা ঠিকভাবে পড়ে বাকি সময়টা ঘোরাঘুরি করা কিংবা স্রেফ ঘুমানোও অনেক ভালো। মনমেজাজও ভালো থাকবে। বাইরে যতই ঘুরবেন, ততই আপনার চাইতে বেশি পণ্ডিত লোকজনের সাথে দেখা হবে, আর মেজাজ খারাপ হবে। আপনার মেজাজ খারাপ করে দেয়া লোকজন সবাই যে প্রিলি পাস করবেন, তা কিন্তু কিছুতেই না! আমি মনে করি, সাকসেস ইজ অ্যা সেলফিশ গেম! 'টুগেদার উই বিল্ড আওয়ার ড্রিমস' এটা ভুলে যান। লাইফটা তো আর ডেসটিনি কোম্পানি না।
সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রস্তুতি নেয়ার সময় আপনি বিজ্ঞানের ছাত্র কিংবা ছাত্র না, এটা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নেবেন না। বিজ্ঞানের ছাত্ররা এ অংশটিতে অবহেলা করলে এ অংশে মার্কস কম পাবেন। বিশ্বাস না হলে করেই দেখুন!
এ অংশটির প্রশ্নগুলি এমনভাবে করা হয়, যাতে করে যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্যান্ডিডেটই একই সুবিধা কিংবা অসুবিধা ভোগ করেন। এ অংশের জন্য দুটো ভাল প্রকাশনীর অনেকবেশি প্রশ্ন দেয়া আছে, এমন গাইড বইয়ের সব প্রশ্নের উত্তর শিখে ফেলুন।
একটা বুদ্ধি দিই। দুটো গাইডের আলোচনা অংশ পড়ার চাইতে তৃতীয় একটা গাইডের প্রশ্নগুলি পড়ে ফেলা ভাল; এতে নতুন কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে যাবেন। সাথে একটা জব সল্যুশনের প্রশ্নগুলিও পড়ে ফেলুন। প্রিলির জন্য যত বেশি প্রশ্ন পড়বেন, ততই লাভ।
সিলেবাস দেখে টপিক ধরে ধরে কোনটা কোনটা দরকার, শুধু ওইটুকুই পড়বেন। গাইডেও অনেককিছু দেয়া থাকে যেগুলোর কোন দরকারই নেই। দুইটা লিখিত পরীক্ষার গাইড বই থেকে শুধু সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও টীকাগুলি পড়ে ফেলুন; খুবই কাজে লাগবে। পেপার আর ইন্টারনেট থেকে প্রযুক্তি নিয়ে কিছু পড়াশোনা করে নিতে পারেন।
প্রিলির জন্য হিসেব করে পড়ুন। আপনি আম খাওয়ার আগে আমের বৈজ্ঞানিক নাম জেনেও আম খেতে পারেন। কোনো সমস্যা নাই। তবে আমি মনে করি, আগে আম খেয়ে নিয়ে পরে আমের বৈজ্ঞানিক নাম জেনে নেয়াটা ভালো। যদি আমের চৌদ্দগুষ্ঠির খবর নিতে গিয়ে আম খাওয়াটাই না হয়, তাহলে তো বিপদ! যা যা পড়া দরকার, সেগুলো পড়ে শেষ করতেই বারোটা বাজে, আজাইরা ফালতু জিনিসপত্র পড়ার টাইম কোথায়?
প্রতিদিনের পড়ার মোট সময়ের এক-তৃতীয়াংশ সময় রিটেনের জন্যে দেবেন। তবে, রিটেনের সব পড়া না পড়ে ২ ধরণের পড়া এইসময়ে রেডি করে রাখতে পারেন। এক। যে যে অংশগুলো প্রিলির সিলেবাসের সাথে মিলে, সেগুলো পড়ে ফেলুন। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, টীকা, শর্ট নোটস্, ব্যাকরণ সহ আরোকিছু অংশ পড়ে ফেলতে পারেন। দুই। যেসব সেগমেন্টে ক্যান্ডিডেটরা সাধারণতঃ কম মার্কস্ পায় কিন্তু বেশি মার্কস্ তোলা সম্ভব, সেগুলো নির্ধারণ করুন এবং নিজেকে ওই সেগমেন্টগুলোতে ভালোভাবে প্রস্তুত করে কম্পিটিশনে আসার চেষ্টা করুন৷ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, টীকা, শর্ট নোটস্, সারাংশ, সারমর্ম, ভাবসম্প্রসারণ, অনুবাদ, ব্যাকরণ ইত্যাদি ভালোভাবে পড়ুন। এই সময়ে বড় প্রশ্ন পড়ার কোনো দরকার নেই।
শুভকামনায়
সুশান্ত পাল
আপনাদের সিনিয়র সহকর্মী Follow me on Fb
Sushanta Paul
Share:

বিসিএস রিটেন + ভাইভা জন্য খুব গুরুত্বপূর্ন। তাই এই গুলা আগে পড়ুন বিসিএস রিটেন + ভাইভা

বিসিএস রিটেন + ভাইভা জন্য খুব গুরুত্বপূর্ন। তাই এই গুলা আগে পড়ুন
বিসিএস রিটেন + ভাইভা

প্রশ্ন: একটি সড়ক দূর্ঘটনা যেন সারাজীবনের কান্না – ব্যাখ্যা করুন?
বর্তমানে সড়ক দুর্ঘটনাকে বাংলাদেশের বড় এক সমস্যা বলে আখ্যায়িত করা যায় বৈকি? সড়ক দুর্ঘটনার চালচিত্র দেখে আমরা বলতে পারি যে, সড়ক- মহাসড়কগুলো এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। মৃত্যু যেন ওত পেতে বসে আছে রাস্তার অলিতে- গলিতে। স্বজনহারা মানুষের আকুতি ও পিতৃহারা সন্তানের আর্তনাদে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে। ঈষাণের কালো মেঘ দেখা দিয়েছে রাস্তাগুলোতে। কথায় আছে, যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধ্যা হয়। এ বছর ঈদ যাত্রায়ও মানুষের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনার ভয় মৃত্যুর কবল থেকে রেহাই পাননি অনেকেই। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে অনেক তাজা প্রাণ। গত বছরের তুলনায় এ বছর সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুহার উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৭ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২ দিনে সড়ক, রেল ও নৌপথে দুুর্ঘটনা ঘটেছে ২১১টি। এতে প্রাণ হারিয়েছে ২৫৬ জন আহত হয়েছে ১ হাজার ১৫৩ জন। তার মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৯৩টি।
এতে প্রাণ হারিয়েছে ২৪৮ জন। আহত হয়েছে ১ হাজার ৫৬ জন। আর কতগুলো জীবনপ্রদীপ এভাবে রাস্তায় নিভে গেলে, আমরা সড়ক দুুর্ঘটনা নামক মৃত্যুর ফাঁদ থেকে রেহাই পাবো ? নাকি ভেবে বসবো যে, সড়ক দুর্ঘটনা অপ্রতিরোধ্য। সড়ক দুুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সারা জীবনের জন্য বয়ে বেড়াতে হয়। দুর্ঘটনায় শুধু ভুক্তভোগী পরিবারগুলো যে, ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা নয়। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে এর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সড়ক দুর্ঘটনার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশ দ্বিতীয়। বিশ্ব ব্যাংক দুুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউট বুয়েট এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু ঘটছে ১০-১২ হাজার আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করছে ১৮-২০ হাজার। সড়ক দুর্ঘটনায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ৩২ হাজার কোটি টাকা। এ থেকে সহজে অনুমান করা যায় যে, এত পরিমাণ ক্ষতি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে পিছনের দিকে ঠেলে দেয়। সড়ক পথের অনেক উন্নতি হয়েছে।
কিন্তু দুর্ঘটনা কমছে না। এর প্রধান কারণ বিশৃঙ্খলা। সড়ক দুর্ঘটনা লাগাম টেনে ধরতে না পারলে, ভবিষ্যতে এর ভয়াবহতা আরো বাড়বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চালকদের বেপরোয়া মনোভাব, ওভারটেকিং, লাইসেন্স বিহীন অদক্ষ চালক, ট্রাফিক আইন অমান্য, ওভার ব্রিজের স্বল্পতা, অপ্রশস্ত রাস্তা, রাস্তার পাশে অবৈধ ব্যবস্থাপনা, সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত। ট্রাফিক আইন জোরালোভাবে প্রয়োগ, ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো রাস্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে, ড্রাইভিং লাইন্সেস বিহীন গাড়ি চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। এছাড়াও দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান জারি এবং রাস্তার পাশের সকল অবৈধ ব্যবস্থাপনা সরিয়ে দিতে হবে। দেশে সড়কের তুলনায় গাড়ির সংখ্যা অনেক বেশি প্রয়োজনে পুরাতন রাস্তা মেরামত ও নতুন রাস্তা নির্মাণ করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি পদক্ষেপ ফলপ্রসূ হতে পারে। মানুষের মৃত্যু ঘটবে স্বভাবিক কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় আর যেন অকালে মানুষের অস্বাভাবিক মৃত্যু না ঘটে, যেন মা-বাবার কোলে সন্তানের, সন্তানের কোলে মা- বাবার লাশ দেখতে না হয়।
Share:

Wednesday, May 17, 2017

সৌদিয়াতে অবৈধ বাংলাদেশী প্রবাসীরা আউটপাশ কিভাবে নিবেন তা বিস্তারিত জেনে নিন ।

bdnews24

সৌদি আরব সরকারের সাধারণ ক্ষমার অধীনে অবৈধ বাংলাদেশিদের দেশে ফিরতে আউটপাস সেবা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

আগামী ১৯ ও ২০ মে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদ টিম আউটপাস সেবা দিবে বলে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

এছাড়া আগামী ২৫ মে দাম্মামে সৌদি আরবের পাসপোর্ট অধিদপ্তর (জাওয়াযাত) আউট পাস সেবা দিবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

দাম্মাম, খোবার, জুবাইল, ক্বাতিফে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক যারা উমরাহ বা হজ ভিসায় সৌদি আরবে গিয়ে বর্তমানে অবৈধ এবং যারা কাতার, কুয়েত, ইমারাত, ওমান, বাহরাইন ও ইয়েমেন থেকে ভিজিট ভিসায় বা অবৈধভাবে সীমানা পেরিয়ে সৌদি আরবে অবৈধ আছেন তাদের সাধারণ ক্ষমার আওতায় আনা হয়েছে।

এছাড়া যারা দীর্ঘদিন আগে সৌদি আরবে এসে বর্তমানে অবৈধ ও সাথে কোনও কাগজপত্র নেই এবং জাওয়াযাতে ফিংগারপ্রিন্ট নেই তারাও এ ক্ষমার আওতাধীন।

যারা দেশে ফেরত যাওয়ার লক্ষ্যে এখনও এক্সিট ভিসা সংগ্রহ করতে পারেননি তারা ২৫ মেদাম্মাম ডিপোর্টেশন সেন্টার (সফর জেল) এর পেছনের গেইটে স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় ফেরত ভিসা নিতে পারবেন।

এসময় তাদের বৈধ মেয়াদসহ পাসপোর্ট ও অন্যান্য কোনও কাগজপত্র থাকলে সাথে আনলে দূতাবাস টিম প্রয়োজনীয় সাহায্য করবে।

দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফিংগারপ্রিন্ট নেওয়ার পর, পরদিন তাদের এক্সিট ভিসা সরবরাহ করা হবে। ভিসা পাওয়ার পর ২৩ জুনের মধ্যে সৌদি আরব ত্যাগ করতে হবে।

যাদের নামে মামলা রয়েছে বা যারা অন্যের ইকামাতে অবৈধভাবে ফিংগারপ্রিন্ট দিয়ে অবৈধ ইকামা বানানোর চেষ্টা করেছেন তাদের জন্য এ সেবা প্রযোজ্য নয় বলে দূতাবাস জানিয়েছে।

বিস্তারিত জানতে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের আইন সহকারী মোহাম্মদ ফয়সাল আহমদের সঙ্গে ফোনে ০১১৪১৯৫৩০০- এই নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Share: