Be A good person Improving Yourself Determine what being a good person means to you personally. ... Choose a role model. ... Stop comparing yourself with others. ... Love yourself. ... Be yourself. ... Pray and/or meditate. ... Make small changes. ... Review your goals every day.

Thanks For Visiting Us

Sunday, May 28, 2017

বিসিএসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভালো করবেন যেভাবে: সুশান্ত পালের একটি বিশেষ পরামর্শ

বিসিএসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভালো করবেন যেভাবে: 
সুশান্ত পালের একটি বিশেষ পরামর্শ
প্রিলি হল জাস্ট রিটেন দেয়ার পাসপোর্ট, স্রেফ পাস করার পরীক্ষা। এর কাছে ওর কাছে শুনে অন্ধের মতো না পড়ে একটু বুঝেশুনে প্রিপারেশন নিলে প্রিলিতে ফেল করা সত্যিই কঠিন। এক্ষেত্রে সবকিছু পড়ে বেশি খুশি হওয়ার অভ্যেস বাদ দিতে হবে।
কী কী পড়বেন, সেটা ঠিক করার চাইতে গুরুত্বপূর্ণ হল, কী কী বাদ দিয়ে পড়বেন সেটা ঠিক করা। যাকিছুই পড়ুন না কেন, আগে ঠিক করে নিন, সেটা পড়া আদৌ দরকার কিনা। চাকরিটা পেয়ে গেলে জ্ঞানী হওয়ার জন্য অন্তত ৩০ বছর সময় পাবেন; এতোটাই জ্ঞানী, জ্ঞান রাখারই জায়গা পাবেন না। জ্ঞান অর্জন করলে জ্ঞানী হবেন আর মার্কস অর্জন করলে ক্যাডার হবেন, এটা মাথায় রাখুন।
সিভিল সার্ভিস নিয়ে আপনার যে প্রচণ্ড ইচ্ছে আর আবেগ, সেটার সাথে একটু বুদ্ধিশুদ্ধি যোগ করলেই হয়ে যাবে, যেটাকে আমরা বলি, ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স।
পড়াশোনা দুইভাবে করা যায় : এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি করে আর বাসায় বসে। তবে আমি মনে করি, পড়াশোনার ব্যাপারটা সম্পূর্ণ নিজের কাছে। বইপত্র, গাইডটাইড কিনে বাসায় বেশি বেশি সময় দিন। আপনি পাবলিক লাইব্রেরির সামনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বসে থাকলেন, খুশি হয়ে গেলেন অনেককিছু পড়ে ফেললেন ভেবে, কিন্তু যা যা দরকার তা তা পড়লেন না, এর চাইতে বাসায় ৬ ঘণ্টা ঠিকভাবে পড়ে বাকি সময়টা ঘোরাঘুরি করা কিংবা স্রেফ ঘুমানোও অনেক ভালো। মনমেজাজও ভালো থাকবে। বাইরে যতই ঘুরবেন, ততই আপনার চাইতে বেশি পণ্ডিত লোকজনের সাথে দেখা হবে, আর মেজাজ খারাপ হবে। আপনার মেজাজ খারাপ করে দেয়া লোকজন সবাই যে প্রিলি পাস করবেন, তা কিন্তু কিছুতেই না! আমি মনে করি, সাকসেস ইজ অ্যা সেলফিশ গেম! 'টুগেদার উই বিল্ড আওয়ার ড্রিমস' এটা ভুলে যান। লাইফটা তো আর ডেসটিনি কোম্পানি না।
সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রস্তুতি নেয়ার সময় আপনি বিজ্ঞানের ছাত্র কিংবা ছাত্র না, এটা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নেবেন না। বিজ্ঞানের ছাত্ররা এ অংশটিতে অবহেলা করলে এ অংশে মার্কস কম পাবেন। বিশ্বাস না হলে করেই দেখুন!
এ অংশটির প্রশ্নগুলি এমনভাবে করা হয়, যাতে করে যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্যান্ডিডেটই একই সুবিধা কিংবা অসুবিধা ভোগ করেন। এ অংশের জন্য দুটো ভাল প্রকাশনীর অনেকবেশি প্রশ্ন দেয়া আছে, এমন গাইড বইয়ের সব প্রশ্নের উত্তর শিখে ফেলুন।
একটা বুদ্ধি দিই। দুটো গাইডের আলোচনা অংশ পড়ার চাইতে তৃতীয় একটা গাইডের প্রশ্নগুলি পড়ে ফেলা ভাল; এতে নতুন কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে যাবেন। সাথে একটা জব সল্যুশনের প্রশ্নগুলিও পড়ে ফেলুন। প্রিলির জন্য যত বেশি প্রশ্ন পড়বেন, ততই লাভ।
সিলেবাস দেখে টপিক ধরে ধরে কোনটা কোনটা দরকার, শুধু ওইটুকুই পড়বেন। গাইডেও অনেককিছু দেয়া থাকে যেগুলোর কোন দরকারই নেই। দুইটা লিখিত পরীক্ষার গাইড বই থেকে শুধু সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও টীকাগুলি পড়ে ফেলুন; খুবই কাজে লাগবে। পেপার আর ইন্টারনেট থেকে প্রযুক্তি নিয়ে কিছু পড়াশোনা করে নিতে পারেন।
প্রিলির জন্য হিসেব করে পড়ুন। আপনি আম খাওয়ার আগে আমের বৈজ্ঞানিক নাম জেনেও আম খেতে পারেন। কোনো সমস্যা নাই। তবে আমি মনে করি, আগে আম খেয়ে নিয়ে পরে আমের বৈজ্ঞানিক নাম জেনে নেয়াটা ভালো। যদি আমের চৌদ্দগুষ্ঠির খবর নিতে গিয়ে আম খাওয়াটাই না হয়, তাহলে তো বিপদ! যা যা পড়া দরকার, সেগুলো পড়ে শেষ করতেই বারোটা বাজে, আজাইরা ফালতু জিনিসপত্র পড়ার টাইম কোথায়?
প্রতিদিনের পড়ার মোট সময়ের এক-তৃতীয়াংশ সময় রিটেনের জন্যে দেবেন। তবে, রিটেনের সব পড়া না পড়ে ২ ধরণের পড়া এইসময়ে রেডি করে রাখতে পারেন। এক। যে যে অংশগুলো প্রিলির সিলেবাসের সাথে মিলে, সেগুলো পড়ে ফেলুন। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, টীকা, শর্ট নোটস্, ব্যাকরণ সহ আরোকিছু অংশ পড়ে ফেলতে পারেন। দুই। যেসব সেগমেন্টে ক্যান্ডিডেটরা সাধারণতঃ কম মার্কস্ পায় কিন্তু বেশি মার্কস্ তোলা সম্ভব, সেগুলো নির্ধারণ করুন এবং নিজেকে ওই সেগমেন্টগুলোতে ভালোভাবে প্রস্তুত করে কম্পিটিশনে আসার চেষ্টা করুন৷ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, টীকা, শর্ট নোটস্, সারাংশ, সারমর্ম, ভাবসম্প্রসারণ, অনুবাদ, ব্যাকরণ ইত্যাদি ভালোভাবে পড়ুন। এই সময়ে বড় প্রশ্ন পড়ার কোনো দরকার নেই।
শুভকামনায়
সুশান্ত পাল
আপনাদের সিনিয়র সহকর্মী Follow me on Fb
Sushanta Paul
Share:

0 comments:

Post a Comment

Thankz